Current Bangladesh Time
মঙ্গলবার অক্টোবর ২২, ২০১৯ ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
Latest News
প্রচ্ছদ  » স্লাইডার নিউজ » ভিন্নধর্মীয় উৎসব ও বাংলাদেশের মুসলমান:করণীয় ও বর্জনীয় 
মঙ্গলবার অক্টোবর ১৬, ২০১৮ , ১:৩৭ অপরাহ্ণ
Print this E-mail this

ভিন্নধর্মীয় উৎসব ও বাংলাদেশের মুসলমান:করণীয় ও বর্জনীয়


-শিপার মাহমুদ (জুম্মান)

ভালবাসি দেশ,ভালবাসা ও শ্রদ্ধাশীল সকল নাগরিক সমাজের প্রতি। তবে এই শ্রদ্ধা ও ভালবাসা কোন দুর্বলতা নয়-এটা হচ্ছে মুসলমানের আদর্শ। একজন মুসলিম যেমন সচেতন নিজের প্রতি-তার চেয়ে চেয়ে বেশি সচেতন রাষ্ট্রের প্রতি; চাই সুশৃঙ্খলা পরিবেশে মাধ্যমে জীবন যাপন করুক রাষ্ট্রের সব-ধর্মীয় সামাজিক নাগরিক।

তবে সে একজন মুসলমান-এটাই হচ্ছে তাঁর প্রথম পরিচয়! মুসলমান বলেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ-এই সবুজ শ্যামল মানচিত্র (বিরানব্বই) শতাংশ মুসলিম দেশে সংখ্যালঘু বিধর্মীরা নির্ভয়ে তাঁদের উৎসব পালন করতে পারে। এটা একমাত্র মুসলিম দেশে-অমুসলিমদের প্রতি আন্তরিকতা ও মানবতার সবচেয়ে বড় দৃষ্টান্ত।

এই আন্তরিকতা ও উদারতা মুসলিম হিসেবে বিধর্মীদের প্রতি থাকাটা একজন মুসলমানের দায়িত্ব। তবে একজন মুসলিম হয়ে বিধর্মীদের সাথে তাল মিলিয়ে এই স্লোগান দেয়া যে, “ধর্ম যার যার উৎসব সবার” এটা কখনো একজন প্রকৃত মুসলমান পরিচয় বহনকারীর নিকট প্রত্যাশা করা যায়না।

ইসলাম মানবতার ধর্ম,ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম প্রতিটি ধর্মীয় উৎসবের স্বাধীনতা দিয়ে থাকে। কিন্তু মুসলিম হয়ে বিধর্মীদের উৎসব আমেজে জড়িয়ে যাওয়াকে কখনোই ইসলামি জীবনের বিধান হতে পারেনা এটি ইসলাম পরিপন্থি। যা পরিহাস ছাড়া আর কিছুই নয়।

মূর্তি পূজার যেকোন কাজকে সমর্থন জানানো শিরক। আমাদের দেশে অনেক নামধারী মুসলিম আছে যারা অসাম্প্রদায়িকতার ভুল ব্যাখ্যা পোষণ করে হিন্দুদের পূজার বিভিন্ন কাজকে সমর্থন করে। যেমন- পূজায় ছুটি দিতে হবে, পূজায় মণ্ডপে যেতে হবে, পূজার প্রসাদ খেতে হবে, পূজায় শুভেচ্ছা দিতে হবে। ইত্যাদি। অনেক মুসলমান পূজায় আর্থিক অনুদানও দিয়ে থাকে। যারা এ ধরনের কাজ করে- তারা যখন কবরে যাবে তখন ফিরিশতা আলাইহিমুস সালামরা জিজ্ঞেস করবে- তোমার দ্বীন কি ?” তখন সে যেনো উত্তর দেয়- “আমি অসাম্প্রদায়িক। আমার কোন দ্বীন নেই ।” নাউযুবিল্লাহ।

মুসলমানদের অনেকেই বলেন-“আমাদের নবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাফিরদেরকে অধিকার দিয়েছেন, আমাদেরকেও দিতে হবে।”। যারা এ ধরনের বক্তব্য দেয়, তাদের বলতে হয়-আমাদের নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অবশ্যই ইনসাফের কাজ করেছেন। তার মানে এই না, তিনিও বিধর্মীদের উৎসবে শামিল হয়ে তাদেরকে সমর্থন জানিয়েছেন।

আসলে আমাদের বাংলাদেশে হিন্দু বা বিধর্মীয়দের তাঁদের ধর্মপালনে বাধা দেয়া হোক সেটি কল্পনারও বাইরে। বরং মুসলমানরা যেন হিন্দুদের মুশরিকি কাজে অংশগ্রহণ না করে সেটাই আমাদের মুখ্য বিষয় হওয়া উচিত ।

মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিত ইসলামের সুমহান আদর্শ ও ইতিহাস জানা। নিজেদের মধ্যে স্বধর্মীয় নিয়ম-কানুনগুলো মান্য করার প্রবণতা বৃদ্ধি করা সহ নিজেদের ধর্মীয় রীতি-নীতির দিকে মনোযোগ দেয়া।

মনে রাখতে হবে আমরা মুসলমান-আমাদের ব্যক্তি জীবন,সামাজিক জীবন,রাজনৈতিক জীবন সহ সর্বক্ষেত্রে ইসলাম প্রাধান্য দিতে হবে। ইসলামকে পিছনে ফেলে বিধর্মীদের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার নাম করে কখনোই আমরা উন্নতির শেখড়ে পৌছাতে পারব না উল্টো দৈন্য-হতাশা আর মহান রাব্বুল আলামিনের বেজারই আমাদেরকে ধ্বংসের দিকে ধাবিত করবে।

তাই আমাদের উচিত বাংলাদেশে বসবাসরত অন্যান্য ধর্মালম্বীর মানুষদের ধর্মে শরিক না হয়ে বরং নিজ ধর্মের প্রতি মনোযোগ দেয়া এবং ইসলামের সুমহান রীতি-নীতি সকলের মাঝে পৌছে দেয়া।

লেখক:বার্তা সম্পাদক,গবেষণামূলক জাতীয় পত্রিকা “অগ্রযাত্রা”।

Archives
Image
বড়কাপন টু শ্রীপুর সড়ক দখল করে হাঁসের খামার!
Image
আসামী ছিনিয়ে নিতে এসে বিজিবির গুলিতে নিহত বিএসএফ জওয়ান ; আহত-১
Image
বরগুনার পাথরঘাটায় অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ মহড়া অনুষ্ঠিত
Image
বরিশালে ইশা ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ
Image
২০০ রকমের জুস আইটেম নিয়ে এক্সপার্ট সজীবের আয়োজন(ভিডিও সহ)