Current Bangladesh Time
মঙ্গলবার অক্টোবর ২২, ২০১৯ ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
Latest News
প্রচ্ছদ  » কৃষকের কথা » চলনবিলের কৃষক বধুরা চাল তৈরীতে ব্যস্ত 
বৃহস্পতিবার মে ৯, ২০১৯ , ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
Print this E-mail this

চলনবিলের কৃষক বধুরা চাল তৈরীতে ব্যস্ত


 

সৌরভ সোহরাবঃকৃষি প্রধান চলনবিল অঞ্চলে বৈশাখের ইরি-বোরো ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ প্রায় শেষ। কৃষক বধুরা এখন ধান থেকে চাল তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

কৃষক পরিবারের জন্য সারা বছরের মজুদ করা চাল তৈরীতে চলনবিল অঞ্চলের গ্রাম গুলোর খোলা ও আঙিনা আঙিনায় চলছে ধান সিদ্ধ শুকান ও মেশিনে ধান ভাঙিয়ে চাল তৈরী করার মহোৎসব।

চলতি বছরে এ অঞ্চলে আগাম জাতের মিনিকেট ধানের ফলন ভালো হয়নি। এ ছাড়া বাজারে ধানের ন্যায্য মুল্য না পেয়ে কুষকের মনে শান্তি নেই।

কৃষকের মনে শান্তি না থাকলেও কৃষক বধুরা সংসারের খোরাকি জোগাড় করতে থেমে নেই।
চলনবিল অধ্যুষিত সিংড়া ও তাড়াশ উপজেলার কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা যায় প্রায় প্রতিটি বাড়ির পাশের খোলায় ও অাঙিনায় কৃষক বধুরা সিদ্ধ শুকান নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

কেউ কেউ রাত জেগে ধান সিদ্ধ করে পরের দিন রোদে শুকিয়ে নিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ সিদ্ধ শুকান শেষ করে মেশিনে ধান ভাঙিয়ে নতুন চাল বাতাসে উড়িয়ে নিচ্ছেন।

এই অঞ্চলের অনেক কৃষকই আবার মাঠ থেকে শ্যলো মেশিন নিয়ে এসে তার সাথে টায়ারের চাকা,ফিতা ও হোলার সেটিং করে তৈরী করেছেন ভ্রাম্যমান চালকল। এই ভাম্যমান চালকল নিয়ে কৃষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তৈরী করছেন চাল।

এপাড়া ওপাড়া ঘুরে ফিরে করছেন চাল তৈরীর কাজ। ভ্রাম্যমান চাল কলের এই সেবা পেয়ে খুশি হচ্ছেন সাধারন কৃষক বধুরা। আগে পরিশ্রম করে ধান বহন করে দুরের বাজারের মিল ঘরে গিয়ে ধান ভাঙানো হতো। এখন ঘরে বসেই ধান ভাঙানোর এই সেবা পাচ্ছেন তারা।

সিংড়া উপজেলার ডাহিয়া গ্রামের কৃষক বধু তাছলিমা বেগম বলেন-আমার পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৭ জন। প্রতি বছর আমার পরিবারের জন্য ৩৫ মণ ধানের চাল খোরাকি নিই। এ বছরও ৩৫ মণ ধান খোরাকি হিসাবে নিয়েছি।

ভ্রাম্যমান চালকলের সুবিধার কথা উল্লেখ করে তাছলিমা বেগম বলেন- আমার ধান সিদ্ধ শুকান শেষ। ভ্রাম্যমান চালকলের অপেক্ষায় আছি। বাড়িতে আসলেই ধান ভাঙাবো। এই কল আইসা আমাগেরে খুব সুবিধা। ঘরেত থাইকাই ধান ভাঙাতে পারছি।

তাড়াশ উপজেলার বারুহাস গ্রামের ভ্রাম্যমান চালকল মালিক অাবজাল আকন্দ বলেন- আমার শ্যলো মেশিন দিয়ে পুরো সিজান জমিতে পানি সেচি। এখন পানি সেচা শেষ তাই মেশিনে টায়ারের চাকা,ফিতা ও হোলার লাগিয়ে চালকল তৈরী করে ধান ভাঙাচ্ছি। মণ প্রতি ২৫ টাকা নেই। টাকা না দিলে ১ কেজি চাল। ১ থেকে ২ মাসের এই মৌসুমে প্রায় ৫০- ৬০ হাজার টাকা খরচ বাদে বাড়তি আয় করি। সেই সাথে আমার পরিবারের বছরের খোরাকিও এই চাল দিয়েই চলে যায়।

Archives
Image
বড়কাপন টু শ্রীপুর সড়ক দখল করে হাঁসের খামার!
Image
আসামী ছিনিয়ে নিতে এসে বিজিবির গুলিতে নিহত বিএসএফ জওয়ান ; আহত-১
Image
বরগুনার পাথরঘাটায় অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ মহড়া অনুষ্ঠিত
Image
বরিশালে ইশা ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ
Image
২০০ রকমের জুস আইটেম নিয়ে এক্সপার্ট সজীবের আয়োজন(ভিডিও সহ)